পোস্টগুলি

তবা টেক সিং

ছবি

একুশে ফেব্রুয়ারী

সম্মিলিত বৃষ্টির আলোক মিছিলে  হাঁটছে একুশের প্রথম প্রভাতফেরী  আমরা কেউ ভিজছি আপাদমস্তক  কেউ শিল কুড়োচ্ছি আলগোছে কুঁচবরণ কন্যা তার মেঘবরণ চুল  ভুল করে কেন এদিক ঘুরে তাকায়? "কিস্যু হবে না কোনোদিন" লালাসিক্ত পানপরাগ রাজপথে লিটল ম্যাগাজিনের স্টলে ঘুরে ঘুরে চটি বই বেচে বেঁচে আছে কোনমতে সাহাবাগ উত্তাল হতে শেখে রক্ত গরম ছিল, সীমানা পেরোচ্ছে ফেসবুক থেকে বাসন্তী রঙ ঢেউ অবসর ঠিকানা হারালো ঠিক সময় অনসাইটে ঝলমলানো সুর দাওয়ায় বসে মুড়ী-চানাচুর খাবে স্টেশনে তখন গরম চায়ের ভাঁড় অনেক টাকা মাইনে পেল ছেলে প্রবাস থেকে চিঠি কড়া নাড়ে "মা, তুমি কেমন আছো?"

গল্প : ছেঁড়া ক্যাম্পাস

ছবি
 

বহুযুগের ওপার থেকে

ছবি
আমার লেখা একেবারে প্রথম কবিতাগুলোর মধ্যে একটা... যার জন্যে লিখেছিলাম সে চলে গেছে কিন্তু কবিতাটা রয়ে গেছে... আমার নিজের লেখা একটা খুব প্রিয় কবিতা... কবিতার সাথে মিশে থাকা অনুভূতিটা আজ একইরকম স্বপ্নের মত লাগে... খুব চেনা একটা অসহ্য ভালোলাগার অনুভূতি ...

নামহীন গান

আমি পারছিনা খুঁজে নিতে নিজেকে আয়নাতে  মাঝরাতে ঘুমহীন সিগারেট ধরা আছে কার হাতে? শহরের ঠিকানায় হারিয়ে ফেলেছি আমি ঘরবাড়ি  পাহাড়ি মেঘের সাথে কখন মিলিয়ে গেছে রেলগাড়ি  এই কুয়াশায় জমা শীতে  উষ্ণতা খুঁজে নিতে  হয়তো অতর্কিতে  হারিয়ে ফেলি, আমি, নিজেকেই... আমি হাঁটছি না একা একা সন্ধ্যের রাস্তাতে  কার তাতে যায় আসে ভালবাসা হাতড়াতে ফেসবুকে থাকে-থাকে সাজানো রয়েছে সব বন্ধুরা ডেকে যায় চেনা স্বর, চেনা চেনা সুরে বাঁধা তানপুরা এই মানুষের ভিড় ঠেলে জলে ভেজা চোখ মেলে সময় পালিয়ে গেলে আবার হারিয়ে ফেলি, আমি, নিজেকেই...

ইতিহাসের পাতা থেকে

ছবি
খড়গপুর ----------- সৌম্য মাইতি  কাশীদাসী মহাভারতের কথা | পঞ্চপান্ডব বনবাসে চলেছেন | গভীর জঙ্গল | মাতা কুন্তী বড় ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নিতে চাইলেন | এদিকে ঘন জঙ্গলে থাকে নরখাদক রাক্ষস. রাক্ষসদের রাজা  হিড়িম্ব আর তার বোন হিড়িম্বা | সে ভয়ে পাণ্ডবরা তো আর দমে যাবার পাত্র নয়! কাজেই মহাবলী ভীম বললেন "আমি আছি তো! কোনো ভয় নেই" | পান্ডবরা জঙ্গলেই বিশ্রাম নিতে বসলেন , আর ভীম পাহারা দিতে লাগলেন | এদিকে নরখাদক হিড়িম্ব তো আল্হাদে আটখানা | সে চললো ভুরিভোজ সারতে | ভীম তো আর এতও সহজে তা হতে দেবেন না!তাই লেগে গেলো ভীম আর হিড়িম্বর যুদ্ধ | ভীম হিড়িম্বকে বধ করে দেহ রেখে এলেন খড়গেশ্বর শিবের মন্দিরের সামনে | তারপর? ভীম ও হিড়িম্বার প্রেম এবং বিয়ে | সেই প্রেমকাহিনী আমরা মোটামুটি সবাই জানি। তাদের সেই গান্ধর্বমতে বিয়েটাও হয়েছিল খড়গেশ্বর মন্দিরে | পঞ্চপান্ডব বেশকিছুদিন ছিলেন এই মন্দিরের পাশে | জঙ্গলের মধ্যে একটা পুরনো মন্দির | সেই মন্দিরকে কেন্দ্র করে তারপর গড়ে উঠলো ছোট্ট গ্রাম | গ্রামের নাম ? খড়গপুর !!!!! আই আই টি ক্যাম্পস থেকে ৫ কিমি উত্তরে ইন্দা বাজার রয়েছে | ...

ইতিহাস

ছবি
আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫০তম জন্মদিন ...  সেই ইতিহাস  ছাপা অক্ষরের তলায় চাপা থাকেনি কোনদিন, কোনো ইট-কাঠ-পাথরের শহরে  সে ইতিহাস হারিয়ে যায়নি| একটা দেশলাই কাঠি কত আর প্রদীপ জ্বালাবে? কেন্তু সে ইতিহাস যে দাবানল হয়ে ওঠে শিরায় শিরায় ! সে ইতিহাস পুড়িয়ে দিক ক্ষয়ে যাওয়া এ সমাজ, এ সভ্যতা... আমরা হাততালি দেবো, শোকসভা করবো, বই লিখবো, বই পড়ব, ফেসবুকে-ইমেলে পাখা মেলে দিকে দিকে ছড়িয়ে দেবো রক্ত ফোটানো সে ইতিহাসের আগুন... সে ইতিহাসকে আমরা ঈশ্বর বানিয়েছি, সে ইতিহাসের ছবি সামনে রেখে মাথা ঠুকেছি.... ইতিহাস তবু ইতিহাস, নীরব থাকা তার কাজ, আমরাও নীরব রয়েছি সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির অপেক্ষায়, তাই বুঝি আর ইতিহাস বানাতে পারিনি, সাদামাটা আগামী দিনগুলো অতীতের পাতায় মাথা নীচু করে ঢুকে পড়ে, কেউ ইতিহাস  হতে   পারে না | আমরা সেই ইতিহাসের সামনে হাত জোড় করে বলি "লহো প্রনাম, স্বামী বিবেকানন্দ" সেই ইতিহাস চোখ মোছে এই পরিণতির দিকে তাকিয়ে..