পোস্টগুলি

ইতিহাস

ছবি
আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫০তম জন্মদিন ...  সেই ইতিহাস  ছাপা অক্ষরের তলায় চাপা থাকেনি কোনদিন, কোনো ইট-কাঠ-পাথরের শহরে  সে ইতিহাস হারিয়ে যায়নি| একটা দেশলাই কাঠি কত আর প্রদীপ জ্বালাবে? কেন্তু সে ইতিহাস যে দাবানল হয়ে ওঠে শিরায় শিরায় ! সে ইতিহাস পুড়িয়ে দিক ক্ষয়ে যাওয়া এ সমাজ, এ সভ্যতা... আমরা হাততালি দেবো, শোকসভা করবো, বই লিখবো, বই পড়ব, ফেসবুকে-ইমেলে পাখা মেলে দিকে দিকে ছড়িয়ে দেবো রক্ত ফোটানো সে ইতিহাসের আগুন... সে ইতিহাসকে আমরা ঈশ্বর বানিয়েছি, সে ইতিহাসের ছবি সামনে রেখে মাথা ঠুকেছি.... ইতিহাস তবু ইতিহাস, নীরব থাকা তার কাজ, আমরাও নীরব রয়েছি সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির অপেক্ষায়, তাই বুঝি আর ইতিহাস বানাতে পারিনি, সাদামাটা আগামী দিনগুলো অতীতের পাতায় মাথা নীচু করে ঢুকে পড়ে, কেউ ইতিহাস  হতে   পারে না | আমরা সেই ইতিহাসের সামনে হাত জোড় করে বলি "লহো প্রনাম, স্বামী বিবেকানন্দ" সেই ইতিহাস চোখ মোছে এই পরিণতির দিকে তাকিয়ে..

বাঁশি

ছবি
স্বপ্ন ধরতে হবে বলে  ছুটেই চলেছি উদ্দেশ্যহীন, মাঝেমধ্যে তার সাথে দেখা হয় হঠাত্ হঠাত্  কোনদিন। কখনো অফিসপাড়ায়,  ব্যস্ত এয়ারপোর্টে অথবা ভিড়ে ঠাসা  শপিং মলের ফুড-কোর্টে, কিছুটা সময় একসাথে মানুষের ভিড় উপেক্ষা করে না বলা কথাগুলো না বলাই রেখে মনের ভিতরে , তার সাথে দেখা হয় - স্বল্পচেনা কেউ একজন। ছুটে চলা থামাতে পারবনা, তাই আমরা ছুটছিই অকারণ  কতকিছুই তো বলার ছিল! তবু ভয় আর সংশয়, তাই নিজেদেরই নিজেদের থেকে পালিয়ে বেড়াতে হয়। চারিদিকে মানুষের দল ভালবাসছে যা ইচ্ছে তাই, আমরাই শুধু সেসব থেকে দুরে ভালো লাগা খুঁজে বেড়াই। ভিড় মানে মানুষের সাথে মানুষের অকারণ মেলামেশা, ভালবাসা মুখ ঢেকে রাখে, হাসি-গান সব স্রোতে ভাসা। সেই সব টুকরো টুকরো হাসি গান থেকে দুরে, আমরা বেঁচে নিই আমাদের সত্যিটুকু আমাদের হৃদয়পুরে; একটু দেখা, একটু ছুঁয়ে দেখা, আঁকড়ে রাখার একটা ভাবনাকে গায়ে জড়িয়ে আবার ছুটে চলা একে একে। শেষবার যেদিন দেখা হয়েছিল ক্লান্ত অফিস ফেরত রাস্তায়, মনে আছে বলেছিলাম "এভাবে...

The Times They Are A-Changin

ছবি
গান যে কেন সরাসরি বুকে এসে ধাক্কা মারে! অনুবাদ করার চেষ্টা করেছি, সাহস বটে!!! সাহসিকতার জন্য পুরস্কার চাই.....   এসো বন্ধুরা এসো কোথায় ঘর তোমার জলে ডুবছে শহর দেখো শূন্যে পারাবার ভয়ে মরার আগে উপায় শেখো বাঁচার সময় আছে হাতে এখন তোমার, সময়টা নিস্প্রাণ নয়তো সময়েই খান খান কারণ সময় গাইছে দিনবদলের গান এসো শিল্পী এবং কবি ধর তুলি কিংবা কলম নিজের হাতে পুরোটা চোখ খোলো দেখো নতুন সময় হাঁটছে সাথে তোমরা বড্ড দ্রুত হাঁটো ঘুরছে চাকা এখনো রাজপথে পিছনে তাকিও না পুরনো অভ্যেস হাতড়াতে যারা হেরেছলো একদিন করছে বিজয়ের অভিযান কারণ সময় গাইছে দিনবদলের গান এসো মন্ত্রী কিংবা নেতা ভাঙ্গনের গান শোনো অনেক ভেঙেছো দেশটা শোষণের শেষ দিনটা গোনো যারা অনেক খেয়েছে মার তারা ঘুরে দাঁড়াবে এবার ঘরে বাইরে যুদ্ধ হোক হোক রক্তে রক্তে স্নান তোমাদের মূর্তি যাচ্ছে ভেঙে পড়ছে দড়িতে টান কারণ সময় গাইছে দিনবদলের গান এসো অভিভাবক যতো তরুনের চোখেই রাখো চোখ চোখ রাঙালেও আজ শুধু অবাধ্যতাই হোক যেটা বুঝতে পারো না না বোলো না অনর্থক তোমাদের ফুরিয়ে যাওয়া পথে ডাকছে অনেক পিছুটান নতুনের হাতটা এবার ধ...

কিছু একটা পচেছে

ছবি
"ভোরের বাতাসে কাঁপে ধর্ষিতা মেয়েটির বুক  স্লোগানের ভিড়ে আমি লুকিয়েছি মুখ" ধর্ষণ আর খুনের খবর পড়তে পড়তে বড় হয়েছি আমরা ... একটা গোটা জেনারশন শুধু খবরের কাগজের পাতায় হিংসার ছবি দেখে গেল, কান্নার ছবি দেখে গেল .... আজও   দেখছে।  ২৯শে   ডিসেম্বর ২০১২ সালে দামিনী নাম একটি ধর্ষিতা  মেয়ের মৃত্যু  নিয়ে উত্তাল হলো দেশ .. সত্যি বলছি ধর্ষণের থেকে ধর্ষণের প্রতিবাদ করাটাই আমার কাছে নতুন লাগলো ...  এক এক সময়ে নিজেরই ঘেন্না লাগে । ধর্ষক আর খুনিদের মুখগুলো যে আমার-ই মুখের মত  , আমারি খুব পরিচিত লোকেদের মুখেদের মত। এই মুখগুলো দিয়েই আমাদের সমাজ ... --- কিছু একটা পচেছে  তোমার মধ্যে, তোমার শরীরে রক্তে-মাংসে  কিছু একটা পচেছে । খুব অপরিহার্য কিছু একটা প্রতিদিন ক্ষয়ে যাচ্ছে, বোধ হয় আর বেশিদিন নেই, তুমি শুনতে পাচ্ছ শরীর পচে মরে যাবার শব্দ? তারপর তোমার পচা-গলা  শরীরটাকে, তোমার এই ভালবাসার শরীরটাকে ফেলে আসা হবে  অন্ধকার গলির আস্তাকুঁড়ের মধ্যে , শকুনের দোল ছিঁড়ে খাবে তোমার দেহকে । ...

Slipping Away

ছবি
রিচার্ড ম্যাক্সের কালজয়ী গান এটি  [ link ] | প্রথম প্রেমে পড়ার পরে সবাই পস্তায় , আমিও.... সেই প্রেমে লেঙ্গি খেয়ে বহুদিন আগে গানটা লিখেছিলাম, তখন আমি ক্লাস  টুয়েলভ-এ পড়ি| ভাঙ্গা প্রেম আর ফসিলস তখন বুকের ভেতরে.... আজ বহুদিন পরে হঠাত পুরনো ডায়রির পাতায় খুঁজে পেয়ে এখানে দিলাম..... আমার আট বছর আগে লেখা একটা গানের ভাবানুবাদ (মানে ভেবে ভেবে অনূবাদ.... :P) কথা ছিল তুই চলে গেলে আমি কাঁদবো না কোনো একলা বিকেলে, কখনো পাবো না তোকে - কোনো বৃষ্টি বা রোদে কোনো ভালোবাসা ..... হয়তো কোনো রঙে আমি আঁকতে পারিনি তোর কোনো প্রত্যাশা.... চোখ ভেজা এই বর্ষাতে কেন রাখলি না হাত এই হাতে ? এই আচ্ছন্নতায় সব প্রতিরোধ ভেঙে যায়, সব ঢেউ দিয়ে আঁকড়ে ধরেছি এই বিশ্বকে - তবু আটকাতে পারিনি শুধু তোকে ...... এর পরে কোনো একদিন ভোরে যদি আলো আসে, যদি তোর স্বপ্নরা হাসে, জেনে রাখ সার্থক হবে আমাদের প্রেমের ব্যর্থতা ; যদি ভালোবেসে দুরে যেতে হয় বেদনা হোক যত নির্দয় , কেন সেই ব্যথা আর কেউ বুঝলো না ? কেন এই বুকে তোর মন কোনো আশ্রয় খুঁজলো না ? রামধনু থেকে সব রঙ এসে...

ঈদ মুবারক

ছবি
ভাসছে খেয়া, দুলছে ঢেউ জ্বলছে দিয়া, বলছে কেউ  "তিনি দয়াময়", খুশির দিন  হাসবে মানুষ সংখ্যাহীন  ধর্ম এনোনা মৌলবাদ  বলছে ওই ঈদের চাঁদ ....

দুপুরের খামোখা খেয়াল.....

ছবি
তোর ছাদের ওপর আকাশ  কিন্তু শুকতারাটা কই? তোর বৃষ্টি ভালো লাগে, মেঘের সাথে খেলবি এবার সই? তুই শিশির ধরতে যাবি শিউলি ফুলের ভোরে কাঁদিস না আর প্লিজ  সারা দুপুর ধরে  তোর শীতের রাতের শেষে লেপমুড়িতে শুয়ে অতীত দিনের পাপ  সব-ই দেবো ধুয়ে  ফুল ফোটাবি নাকি মৌমাছিরা এলে ? পালিয়ে গেলি কেন  একলা আমায় ফেলে? বেশ করেছিস যা:! নিজের মতো থাকিস  সেই সমস্ত কথা যত্ন করে রাখিস  তোকেই দিলাম নাহয়  ক্লান্ত খোলামকুচি  এক্কা-দোক্কা খেলবি যেমন অভিরুচি দু-এক ফোঁটা কথা আমিও লিখে দিই  স্টেশন এসে গেলে  নাহয় নেমেই যাবি তুই....